Connect with us

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস গণসু প্রদেশ, চীন গণপ্রজাতন্ত্রী

Avatar

Published

on

gansu1000x600

আমার গানসু প্রদেশকে জানুনচীনের গানসু প্রদেশের ২৬ মিলিয়ন জনসংখ্যা রয়েছে। ইয়েলো রিভার গানসু প্রদেশের দক্ষিণ অংশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে এবং এই প্রদেশ ইনার মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলে হুয়াংতু ও কিংহাই মালভূমির মাঝে অবস্থিত।

গানসু প্রদেশের উত্তরে মঙ্গোলিয়া এবং পশ্চিমে জিনজিয়াং উইঘার স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল রয়েছে। লানঝু শহর হচ্ছে গানসু প্রদেশের রাজধানী শহর এবং এটি প্রদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত।

গানসু প্রদেশের ইতিহাস

গানসু প্রদেশের চীন সাম্রাজ্যের পূর্বতন হান ও মিং রাজবংশের শাসনামলের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে।

চীনের ‘গ্রেট ওয়াল’ হান রাজবংশের সময়ে গানসুর মধ্য দিয়ে বর্ধিত করা হয়েছিল।

‘ইয়াংগুয়ান দুগর্’ এবং ‘কৌশলগত জেড গেট পাস’ মিং রাজবংশের সময়ে নির্মীত করা হয় ।

অতীতে, গানসু প্রদেশের অনেক অধিবাসী ইসলাম গ্রহণ করেছিল ৮৪৮ সন থেকে ১০৩৬ সন পর্যন্ত যখন উইঘার জাতি গঠিত হয়েছিল।

গানসুর মধ্য দিয়ে ‘সিল্ক রূট’ চলে যাওয়ার কারনে গানসু ক্রমে অর্থনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

গানসু প্রদেশের স্থানীয় অর্থনীতি

গানসু প্রদেশ বরাবর সুপরিচিত হয়ে আছে চীনা ঔষধি গাছ-গাছড়ার জন্যে। গানসুর কৃষিজাত পন্যের মধ্যে আছে তরমুজ, বাজরা, ভুট্টা, গম এবং তুলা কিন্ত্ত গানসুর অর্থনীতির বিরাট অংশ দখল করে আছে খনিজ সম্পদ।

বর্তমানে গানসু প্রদেশে বিশাল জিঙ্ক, টাঙ্গস্টেন, প্ল¬াটিনাম, ক্রোমিয়াম এর খনি রয়েছে। গানসুর চাংকিং এবং ইউমেন এর তেল উতপাদন ক্ষেত্র চীনের অর্থনীতিতে মূল্যবান অবদান রাখছে।

গানসু প্রদেশে ভ্রমন আকর্ষণ সমূহ

গানসু প্রদেশের অনেক ভ্রমন আকর্ষণ সমূহ রয়েছে আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ পর্যটকদের জন্য।

‘জিয়াইউগুয়ান পাস’

‘জিয়াইউগুয়ান পাস’ হচ্ছে গ্রেট ওয়ালে প্রবেশের সবচেয়ে প্রবেশ তোরণ। ‘জিয়াইউগুয়ান পাস’ নির্মিত হয়েছিল মিং রাজবংশের শাসনামলের প্রথমদিকে ১৩৭০ সনের কাছাকাছি সময়ে।

‘দি মোগাও গ্রটোজ অব লো-ত্‍সান’

লো-ত্‍সান নামে একজন সন্যাসী এসেছিলেন ‘ইকোইং স্যান্ড’ পর্বতের কাছে। একদিন তিনি এক দৃশ্যে তাঁর সামনে সোনালী আলোকরশ্বি যার মধ্যে তিনি দেখলেন এক হাজার গৌতম বুদ্ধ। সন্যাসী ৩৩৬ সনে এই আচ্ছাদিত গুহার স্থাপত্য তৈরী শুরু করেন।

চীনের প্রাচীন সিল্ক রোড

চীনের প্রাচীন সিল্ক রোড শুরু হয়েছিল গানসু প্রদেশ থেকে এবং শেষ হয়েছিল কন্সটান্টিনোপলে। এই সিল্ক রোডই ছিল সওদাগরদের একমাত্র পথ পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত ভ্রমনের। ব্যবসায়ীদের টাটকা জিনিস সরবরাহের ও ভ্রমনের পথ ছিল ‘টাকলামাকান’ মরুভূমির মধ্য দিয়ে।

বিঙলিং মন্দির

বিঙলিং মন্দির যা নাকি স্থানীয়দের কাছে আচ্ছাদিত গুহা নামে পরিচিত, এগুলো হচ্ছে ইয়েলো নদীর ধারে গুহা সমাবেশ । এখানে বিশাল মৈত্রীয়া বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে যার উচ্চতা ২৫ মিটারের চেয়েও লম্বা। বিঙলিং মন্দিরে প্রবেশের একমাত্র উপায় হচ্ছে গ্রীষ্মকালে ইয়ংজিং থেকে নৌকাযোগে সেখানে যাওয়া।

‘দি লাবরাং তিব্বতীয় মনাসটেরী’

‘দি লাবরাং তিব্বতীয় মনাসটেরী’ তিব্বতীয় ঐতিহ্যের প্রধান মঠগুলির অন্যতম। ‘দি লাবরাং তিব্বতীয় মনাসটেরী’ গানসু প্রদেশের দক্ষিণে জিয়াহে কাউন্টির স্বায়ত্বশাসিত গান্নান জেলায় অবস্থিত।

enEnglish esEspañol zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস আনহুই প্রদেশ, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

Anhui Province

সতের শতকের পূর্বে আনহুই প্রদেশের কোন যুক্তিগত বা রুপগত কোন অস্তিত্ব ছিল না। এখন পর্যন্ত হেনান প্রদেশ, উত্তর আনহুই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তর চীনের সমতলের সংস্কৃতি অনুসরণ করে। হুয়েই হে নদী বিধৌত মধ্য আনহুই উর্বর ভূমি এবং ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসাবে পরিগনিত।

এর সংস্কৃতি হুবেই প্রদেশের সংস্কৃতির কাছাকাছি। আবার, দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য এলাকার জনগন নিজস্ব বহু বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতির অনুসরণ করে।

প্রকৃতিগতভাবে আনহুই প্রদেশ বৈচিত্রে ভরপুর। উত্তরের সঙ্গে যুক্ত হুয়েই হে নদী দ্বারা বিধৌত প্রদেশের উত্তর মধ্য অংশ চীনের উত্তরাংশের সমতলভূমির অন্তর্ভূক্ত। এই দু’টি অঞ্চল ঘনবসতিপূর্ণ এবং অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্যমন্ডিত।

প্রদেশের দক্ষিণাংশের দিকে গেলে দেখা যাবে ,দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকাই অসমতল। এই সমস্ত এলাকা ডেবী পর্বতমালা, পাহাড়-পর্বতের অন্তর্ভূক্ত যা আনহুই প্রদেশের দক্ষিণ-পুর্বাংশ অতিক্রম করেছে। দূই পর্বতমালার মধ্য দিয়ে ইয়াংতজি নদী বয়ে গেছে চীনের দক্ষিণের দিকে। আনহুই প্রদেশের সবো©চ্চ পর্বত শৃঙ্গ লোটাসের উচ্চতা ১৮৭৩ মিটার। এটা দক্ষিণ-পুর্ব আনহুই এর হুয়াংশান পর্বতমালার অংশ।

উত্তরাংশে প্রবাহিত হুয়েই হে এবং দক্ষিণাংশে প্রবাহিত ইয়াংতজি নদী আনহুই প্রদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি নদী। ৮০০ কিলোমিটার আয়তনসমৃদ্ধ লেক চাওহু আনহুই প্রদেশের মধ্যাংশে অবস্থিত। দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ইয়াংতজি নদীর কাছাকাছি লেকগুলির মধ্যে এটিই সর্ববৃহৼ।

উত্তরাঞ্চলের জলবায়ুর সাথে দক্ষিণের জলবায়ুর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

উত্তরের তাপমাত্রা অধিক নাতিশীতোষ্ণ এবং পরিস্কার ঋতুপূর্ণ। জানুয়ারী মাসে হুয়েই হে নদীর উত্তরে তাপমাত্রা থাকে -১ থেকে ২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এবং হুয়েই হে নদীর দক্ষিণে থাকে ০ থেকে ৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। জুলাই মাসে গড় তাপমাত্রা থাকে ২৭ ডিগ্রী সে.। জুন এবং জুলাই মাসে অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হয় আর বন্যা হওয়ার ঘটনা বিরল।

অ্যানকিং, বেংবু, বোঝাও, হেফেই, হুয়াংশান সিটি, হুয়েইনান, মানশান এবং টংলিং পিপল্স রিপাবলিক অব চায়নার আনহুই প্রদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।

আনহুই প্রদেশের দর্শণীয় কয়েকটি স্থানঃ

ইউনেসকো কয়েকটি প্রাচীন স্থানকে যেমন জিডি গ্রাম, মাউন্ট হুয়াংশান এবং হংকুন গ্রামকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেইসাথে মাউন্ট কীউন, মাউন্ট টিয়ানঝু, তুনসির প্রাচীন শহর এবং মাউন্ট জিউহুয়া হচ্ছে আনহুই প্রদেশের কয়েকটি দর্শনীয় স্থান।

enEnglish esEspañol zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية

Continue Reading

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস হুনান প্রদেশ, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

hunan1000x600

চাংশা হলো হুনান প্রদেশের রাজধানী শহর। হুনান প্রদেশ ডংটাইন হ্রদের দক্ষিণে এবং ইয়াংতজি নদীর মাঝে অবস্থিত। হুনানের সাথে চংকিং, জিয়াংসি, গুয়াংডং, হুবেই, গাংসি এবং গুইঝু প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে।

হুনান প্রদেশের ইতিহাস

আমার হুনান প্রদেশকে জানুন!১৯১০ সাল পর্যন্ত হুনান তুলনামূলক শান্ত্ম ছিল কিন্ত্ত যখন কিং রাজবংশ ভেঙ্গে পড়ল এটা কম্যুনিস্টদের অটাম হারভেস্ট বিপ্লব দ্বারা আক্রান্ত হয় যেটা মাউ জেদং ১৯২৭ সনে শুরু করেছিলেন।

মাও জেদং সংক্ষ্তি সোভিয়েত হুনান রাষ্ট্র কায়েম করেছিলেন ১৯২৭ সালে এবং তারা এখানে একটি পাহাড়ী গেরিলা বাহিনী লালন করতেন ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত।

বিখ্যাত শানসি প্রদেশের ভিত্তির উদ্দেশ্যে পরিচালিত লং মার্চ শুরু হয়েছিল জাতীয় কুওমিংটাং এর চাপে। কম্যুনিস্ট সেনা সরে গেলে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল কুওমিনটাং ও জাপানীদের সাথে।

হুনানের রাজধানী চাংশা ১৯৪৪ সনে দখল হয়ে যায়।

চীনা গৃহযুদ্ধের পরে ১৯৪৯ সালে কম্যুনিস্টরা পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসে।

১৯৭৬ সনে মাও জেদং এর মৃত্যুর পরে হুনান পূর্বতন জাতীয় নেতা দেং জিয়াও পিং প্রবর্তিত সংস্কার বাস্তবায়নে কিছু সময় নেয়। ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত হুনান প্রদেশ সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমর্থন করে।

হুনান প্রদেশের ভৌগলিক অবস্থান

হুনান প্রদেশ গুয়াংডং এর রাজধানী গুয়াংঝু থেকে ৫০০ কি.মি. শাংহাই মহানগরী থেকে প্রায় ৯৫০ কি.মি. এবং চীনের রাজধানী শহর বেইজিং থেকে প্রায় ১২০০ কি.মি. দুরে অবস্থিত।

হুনানে সবচেয়ে বড় স্বাদু পানির হ্রদ হচ্ছে ‘ডংটিং হ্রদ’।

হুনানের জলবায়ু

হুনান প্রদেশে প্রায় গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু বিদ্যমান। জানুয়ারী মাসে গড় তাপমাত্রা ৩-৮ ডিগ্রী সে. এবং জুলাই মাসে ২৭-৩০ ডিগ্রী সে.।

হুনান প্রদেশের স্থানীয় অর্থনীতি

ধানের পাশাপাশি হুনান প্রদেশে চা উতপন্ন হয়।

২০০৭ সনে হুনান প্রদেশে মাথাপিছু উপার্জন ছিল ১৪,৪০৫ ইউয়ান এবং ৯১৪.৫ বিলিয়ন ইউয়ান ছিল সর্বনিম্ন জিডিপি।

হুনান প্রদেশের ভ্রমণ স্থানসমূহ

হুনান প্রদেশে অনেক আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থানসমূহ রয়েছে। উলিংগিউয়ান ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভূক্ত। ইউইয়াং এ রয়েছে ইউইয়াং প্যাগোডা, হেংইয়াং এ হেংশান প্যাগোডা এবং শাওশান চং হচ্ছে মাও জেদং এর জন্বস্থান।

enEnglish esEspañol zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية

Continue Reading

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস বেইজিং, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

beijing1000x600

বেইজিং চীনের রাজধানী শহর এবং এটি চীনের চারটি মহানগরী শহরের মধ্যে অন্যতম। বেইজিং চীনের প্রাচীন মহান রাজধানীগুলির একটি এবং ইংরেজীতে একে পেকিং বলে উল্লেখ করা হয়। বেইজিং এর উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ সীমান্ত সেই সাথে পূর্ব সীমানার কিছু অংশ হেবেই প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমানার কিছু অংশ তিয়ানজিন মহানগরীর সঙ্গেও যুক্ত।

সাংহাই এর পরে বেইজিং হচ্ছে চীনের বৃহত্তম শহর এবং এটি একটি সুন্দর রেলওয়ে, মোটরওয়ে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থল। বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাদীক্ষার রাজধানী হিসেবে খ্যাত। অপরপক্ষে, সাংহাই এবং হংকং চীনের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বেইজিং ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর।

বেইজিং এর ইতিহাস

চীনের গৃৃহযুদ্ধের সময় কম্যুনিস্ট ফোর্স বেইজিং প্রবেশ করে ১৯৪৯ সালের ৩১ জানুয়ারী কোন প্রকার বাধা ছাড়াই। ১ তারিখ অক্টোবর, ১৯৪৯ সনে মাও জেদং এর পৃষ্ঠপোষকতায় চীনা কম্যুনিস্ট পার্টি চীনের অভ্যুদয় ঘোষণা করে এবং পুনরায় বেইজিং নামের পুনঃপ্রবর্তন করে।

২০০১ সালের জুলাই মাসের ১৩ তারিখে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ২০০৮ সালের সামার অলিম্পিক গেমস এর ভেন্যু হিসাবে বেইজিংকে আয়োজক শহর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বেইজিং এর ভৌগলিক অবস্থান

চীনা সমতলভূমির উত্তর প্রান্তে যে কেউ বেইজিং শহরকে চিহ্নিত করতে পারে। শহরটি উত্তর, উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিমের পর্বতমালা দ্বারা সুরক্ষিত।

বেইজিং এর শহুরে অংশটি শহরের দক্ষিণের কেন্দ্রীয় অংশে রয়েছে। শহুরে খন্ডাংশ ছোট কিন্ত্ত দ্রুত বর্ধনশীল মহানগরীর অবকাঠামোর সাথে যুক্ত। চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বাস তিয়ান আনমেন অংশের ঝংনানহাই অঞ্চলে। চ্যাংগান এভেন্যু মধ্য বেইজিং এর মধ্য দিয়ে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে চলে গিয়েছে এবং এটি বেইজিংয়ের প্রধান চলাচল সড়ক।

বেইজিং এর আবহাওয়া

শহরটিতে আদ্রতা এবং মহাদেশীয় জলবায়ু ক্রীয়াশীল থাকার কারণে অধিকাংশ এলাকা মৌসুমী বায়ু প্রভাবিত। পূর্ব এশীয় মৌসুমী বায়ু প্রবাহের ফলে গ্রীষ্মকালে গরম এবং গুমোট আবহাওয়া থাকে আবার শীতকালে ঠান্ডা, শুকনো এবং ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজমান থাকে। জানুয়ারী মাসে তাপমাত্রা থাকে কমবেশী ১ ডিগ্রি সে. যখন জুলাই মাসে গড়পড়তা ৩০ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা বজায় থাকে।

বেইজিংএর অর্থনীতি

২০০৭ সালে বেইজিং এর সর্বনিম্ন জিডিপি ছিল ৯০০.৬২ বিলিয়ন আরএমবি, প্রবৃদ্ধির হার ১২.৩% । মাথাপিছু জিডিপি ছিল ৫৬,০৪৪ আরএমবি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রিয়াল এস্টেট ও অটোমোবাইল সেক্টরে লক্ষণীয় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।

বেইজিংএর দর্শনীয় জায়গাগুলি

নিষিদ্ধ শহরটি বেইজিং এর ঐতিহাসিক কেন্দ্ররে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটা ছিল মিং রাজবংশের সম্রাটদের আবাস এবং কিং রাজবংশের শাসকদেরও। নিষিদ্ধ শহরে রাজকীয় যাদুঘরও রয়েছে যেখানে চীনা শিল্পের রাজকীয় সংগ্রহের প্রদর্শনী রয়েছে।

বেইজিং এ স্বর্গের মন্দির খুবই প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্থান। এটা দক্ষিণ-পূর্ব বেইজিং এ অবস্থিত এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এর অন্তর্ভূক্ত।

মিং রাজবংশের তেরটি সমাধিসৌধ বেইজিং এর উপকন্ঠে অবস্থিত। এগুলো হচ্ছে তের জন মিং রাজার সমাধিস্থান এবং ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের জন্যও নির্ধারিত।

বেইজিং ক্যাপিটাল এয়ারপোর্ট

বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুনেই এর কাছাকাছি। এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর। চীনা বিমান চলাচলের প্রধান কেন্দ্র এই বিমানবন্দরটি এবং প্রায় সব আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এই বিমানবন্দর থেকে ওঠানামা করে। বেইজিং শহরের সাথে এই বিমানবন্দর এয়ারপোর্ট এক্রপ্রেস ওয়ের মাধ্যমে যুক্ত।

enEnglish esEspañol zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية

Continue Reading

Trending Now

Free counters!