Connect with us

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

beijing1000x600

প্রদেশ, স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল বা বড় মহানগরী অঞ্চলের পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

যাদের চীনা ভাষায় লেখা বা অনুবাদ প্রতি আকর্ষন আছে তাদের জন্য আমাদের ইংরেজী-চীনা ও চীনা-ইংরেজী

অভিধান আছে কিন্ত্ত আগামী মাসগুলোতে বাংলা-চীনা অভিধান যোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Contents hide

আমার আনহুই প্রদেশ সম্পর্কে জানুন

আমার আনহুই প্রদেশ সম্পর্কে জানুন!সতের শতকে আনহুই চীনের প্রদেশ হিসাবে গঠিত হয়।

সতের শতকের পূর্বে আনহুই প্রদেশের কোন যুক্তিগত বা রুপগত কোন অস্তিত্ব ছিল না। এখন পর্যন্ত হেনান প্রদেশ, উত্তর আনহুই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তর চীনের সমতলের সংস্কৃতি অনুসরণ করে। হুয়েই হে নদী বিধৌত মধ্য আনহুই উর্বর ভূমি এবং ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসাবে পরিগনিত।. সতের শতকে আনহুই চীনের

প্রদেশ হিসাবে গঠিত হয় ?

সতের শতকের পূর্বে আনহুই প্রদেশের কোন যুক্তিগত বা রুপগত কোন অস্তিত্ব ছিল না। এখন পর্যন্ত হেনান প্রদেশ, উত্তর আনহুই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তর চীনের সমতলের সংস্কৃতি অনুসরণ করে। হুয়েই হে নদী বিধৌত মধ্য আনহুই উর্বর ভূমি এবং ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসাবে পরিগনিত।

আমার বেইজিংকে জানুন

আমার বেইজিংকে জানুন!বেইজিং চীনের রাজধানী শহর এবং এটি চীনের চারটি মহানগরী শহরের মধ্যে অন্যতম। বেইজিং চীনের প্রাচীন মহান রাজধানীগুলির একটি এবং ইংরেজীতে একে পেকিং বলে উল্লেখ করা হয়। বেইজিং এর উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ সীমান্ত সেই সাথে পূর্ব সীমানার কিছু অংশ হেবেই প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমানার কিছু অংশ তিয়ানজিন মহানগরীর সঙ্গেও যুক্ত।

সাংহাই এর পরে বেইজিং হচ্ছে চীনের বৃহত্তম শহর এবং এটি একটি সুন্দর রেলওয়ে, মোটরওয়ে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থল। বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাদীক্ষার রাজধানী হিসেবে খ্যাত। অপরপক্ষে, সাংহাই এবং হংকং চীনের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বেইজিং ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর।

আমার চংকিং মহানগরীকে জানুন

আমার চংকিং মহানগরীকে জানুন১৬২৭ সন থেকে ১৬৪৫ সনের মধ্যে যখন চীনজুড়ে বিদ্রোহীরা মিং রাজবংশকে পরাজিত করেছিল তখন তারা চংকিংকেও হারিয়ে দিয়েছিল যা ছিল বর্তমানের সিচুয়ান প্রদেশের অংশ।

১৬২৭ সন থেকে ১৬৪৫ সনের মধ্যে যখন চীনজুড়ে বিদ্রোহীরা মিং রাজবংশকে পরাজিত করেছিল তখন তারা চংকিংকেও হারিয়ে দিয়েছিল যা ছিল বর্তমানের সিচুয়ান প্রদেশের অংশ।

৭ম শতাব্দীর ‘দাজু রক কার্ভিংস’ ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভূক্ত। ‘দাজু রক কার্ভিংস’ চীনের ধর্মীয় খোদাই ও ভাস্কর্যের প্রদর্শনী যাতে কনফুসীয়, তাও ও বৌদ্ধ ধর্ম বিশ¦াসের প্রতিফলন ঘটেছে। চংকিং শহরের ৩,০০০ সেতু রয়েছে এবং কিছু দর্শনীয় আকাশচুম্বী বিল্ডিং রয়েছে।

আমার গুয়াংডং প্রদেশকে জানুন

আমার গুয়াংডং প্রদেশকে জানুনগুয়াংডং চীনের দক্ষিণাংশে অবস্থিত। এটি সিচুয়ান ও হেনান প্রদেশের মালিকানা গ্রহন করেছে এবং গুয়াংডং এখন চীনের মধ্যে সবচেয়ে সুস্থিত প্রদেশ।

ষোড়শ শতকে গুয়াংডং এর সাথে বাকী দুনিয়ার প্রশস্ত বানিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। পর্তুগীজ ও বৃটিশরা গুয়াংডং প্রদেশের সাথে ব্যবসা করত এবং তারা প্রধানতঃ গুয়াংঝুকে বানিজ্যিক পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করত।

আফিমের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গুয়াংঝুতে আফিম বাজারজাতকরণের কারণে এবং গুয়াংডং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল দিন মজুরদের জন্যে যারা পরবর্তীতে বৃটেন, মালয়, কানাডা, আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং বৃটিশ উপনিবেশ সিঙ্গাপুরে।

আমার গানসু প্রদেশকে জানুন

আমার গানসু প্রদেশকে জানুনচীনের গানসু প্রদেশের ২৬ মিলিয়ন জনসংখ্যা রয়েছে। ইয়েলো রিভার গানসু প্রদেশের দক্ষিণ অংশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে এবং এই প্রদেশ ইনার মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলে হুয়াংতু ও কিংহাই মালভূমির মাঝে অবস্থিত।

গানসু প্রদেশের উত্তরে মঙ্গোলিয়া এবং পশ্চিমে জিনজিয়াং উইঘার স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল রয়েছে। লানঝু শহর হচ্ছে গানসু প্রদেশের রাজধানী শহর এবং এটি প্রদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত।

‘দি লাবরাং তিব্বতীয় মনাসটেরী’ তিব্বতীয় ঐতিহ্যের প্রধান মঠগুলির অন্যতম। ‘দি লাবরাং তিব্বতীয় মনাসটেরী’ গানসু প্রদেশের দক্ষিণে জিয়াহে কাউন্টির স্বায়ত্বশাসিত গান্নান জেলায় অবস্থিত।

আমার গুয়াংসী ঝুয়াংকে জানুন

আমার গুয়াংসী ঝুয়াংকে জানুনগুয়াংসি ঝুয়াং চীনের দক্ষিণে অবস্থিত একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল এবং ভিয়েতনামের সাথে টনকিন উপসাগর দ্বারা সীমান্ত চিহ্নিত। ইউয়ান রাজবংশের শাসনামলে গুয়াংসি ঝুয়াং প্রদেশের মযা©দা লাভ করে কিন্ত্ত ১৯৪৯ সনে এটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

দ্বিতীয় বিশ¦যুদ্ধের সময়ে গুয়াংসি ঝুয়াং জাপানীদের ‘ইচিগো’ অপারেশনের কারনে দখলীকৃত হয়ে যায়। জাপানীরা হুনান-গুয়াংসি রেল সংযোগ অবরোধ এবং পরবর্তীতে একটি ফ্রেঞ্চ-ইন্দোচায়না সংযোগ স্থাপন করতে চেয়েছিল। ‘ইচিগো’ অপারেশনে সফলতার কারনে গুয়াংসি ঝুয়াং এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ শহর জাপানীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

আমার গুইঝুউ প্রদেশ সম্পর্কে জানুন

আমার গুইঝুউ প্রদেশ সম্পর্কে জানুনগণপ্রজাতন্ত্রী চীনের গুইঝুউ প্রদেশের পশ্চিমে ইউনান প্রদেশ, পূর্বে হুনান প্রদেশ উত্তরে রয়েছে সিচুয়ান প্রদেশ।

গুইঝুউ প্রদেশ পাহাড়-পর্বত দ্বারা আচ্ছাদিত বিশেষতঃ পূর্ব আর দক্ষিণের তুলনায় পশ্চিমাঞ্চল বেশী পর্বতময়। গুইঝুউ প্রদেশের পশ্চিমে রয়েছে ইউনান-গুইঝুউ মালভূমি।

গুইঝুউ প্রদেশে যারা ভ্রমণে আসবেন, মূলতঃ তাঁরা দুইউন, আনশুন, কাইলি, কুইংঝেন অথবা লিউপানশুই শহরে ভ্রমনে আসবেন।

আমার হাইনান দ্বীপ সম্পর্কে জানুন

আমার হাইনান দ্বীপ সম্পর্কে জানুনহাইনান দ্বীপ চীনের দক্ষিণ উপকুলে অবস্থিত।. আকারে ছোট হওয়ার কারণে হাইনান হচ্ছে চীনের সবচেয়ে ছোট্ট প্রদেশ।

বেইজিং এর চীনা সরকার হাইনানের কাছাকাছি স্প্রাটলি ও প্যারাসেল দ্বীপসমূহের দাবী করে আসছে কিন্ত্ত বিষয়টি এসোসিয়েশন অব সাউথঈস্ট এশিয়ান নেশন্স এর কয়েকটি দেশের কারণে বিতর্কিত হয়ে আছে।

আমার হেবেই প্রদেশ সম্পর্কে জানুন

আমার হেবেই প্রদেশ সম্পর্কে জানুন!হেবেই প্রদেশ চীনের উত্তরে অবস্থিত। এটা বেইজিং ও তিয়ানজিন মহানগরী দ্বারা পরিবেষ্টিত। এটা স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল ইনার মঙ্গোলিয়াকে যুক্ত করেছে উত্তরে, দক্ষিণে হেনান প্রদেশ, উত্তর-পূর্বে লিয়াওনিং প্রদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্বে শ্যাংডং প্রদেশকে যুক্ত করেছে।

চেংদে, রেহে রাজ্য এবং ঝাংজুয়াকাউ এবং তারপর চাহার রাজ্যের কিছু অংশের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। এই সব অঞ্চলগুলি পরবর্তীতে হেবেই প্রদেশের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে এবং চীনের ‘গ্রেট ওয়াল’ ছাড়িয়ে এর পরিধি বৃদ্ধি করেছে । ঐ সময়ে তিয়ানজিন থেকে রাজধানী স্বল্প সময়ের জন্যে শিজিয়াঝুয়াং এ সরিয়ে নেয়া হয়।

আমার হেনান প্রদেশকে জানুন

আমার হেনান প্রদেশকে জানুন!চীনা ভাষায় হেনান কথার অর্থ ইয়েলো নদীর দক্ষিণের জায়গা। হেনান প্রদেশ চীনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।

১৩৬৮ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে চীনে মোঙ্গল শাসনের অবসান ঘটে। মোঙ্গলদের স্থলে মিং রাজবংশের শাসন কায়েম হয় হেনান প্রদেশে। মিংদের শাসনকালের হেনান এর সীমানা আধুনিককালের মানচিত্রে নির্ধারিত সীমানার অনুরূপ ছিল। যাহোক, আধুনিক রাজধানী ঝেংঝুর পরিবর্তে রাজধানী হিসেবে কাইফেং কে ব্যবহার করা হয়। ১৯১১ সাল থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত চীনা শাসনামলে কিং রাজবংশের স্থাপিত আঞ্চলিক ব্যবস্থায় তেমন কোন পরিবর্তন ঘটেনি।

আমার হেইলংজিয়াং প্রদেশকে জানুন

আমার হেইলংজিয়াং প্রদেশকে জানুন!হেইলংজিয়াং ছিল চীনা কমু¨নিস্ট নিয়ন্ত্রিত প্রথম প্রদেশ। প্রদেশের প্রধান শহর হারবিন যেটা হচ্ছে রাজধানী শহর। সোভিয়েত বাহিনী হেইলংজিয়াংকে চীনাদের কাছে সমর্পন করে। এটা জাপানীদের দখলে ছিল যারা ১৯৪৫ সনে সোভিয়েত বাহিনীর কাছে হেরে যায়। কম্যুনিস্টরা তখন হেইলংজিয়াং এর মাঞ্চুরিয়া থেকে চীনা গৃহযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

উত্তর সীমান্তে আমুর উপত্যকা রয়েছে। প্রদেশের অন্যান্য অংশ নীচু এবং সমতল। নদীগুলোর মধ্যে নেন, সংহুয়া এবং মুদান অন্যতম।

আমার হুবেই প্রদেশকে জানুন

আমার হুবেই প্রদেশকে জানুন!চীনের কেন্দ্রীয় প্রদেশ হলো হুবেই প্রদেশ। হুবেই এর অর্থ হলো ‘হ্রদের উত্তর’ কেননা এটি ডংটিং হ্রদের উত্তরে অবস্থিত। ঊহান হুবেই এর রাজধানী শহর।

হুবেই এর সাথে হেনান, আনহুই, জিয়াংসি, হুনান, চংকিং এবং শানসি প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে। ‘থ্রী জর্জেস ড্যাম’ হুবেই প্রদেশের পশ্চিমে ঈচ্যাং শহরে অবস্থিত।. কালো মৃত্যুর প্রাদুর্ভাব হুবেই প্রদেশকে ১৩৩৪ ও ১৩৬৮ সালে ধ্বংস করে ফেলেছিল। মিং শাসকদের দ্বারা মোঙ্গলরা বিতাড়িত হয়।

আমার হুনান প্রদেশকে জানুন

আমার হুনান প্রদেশকে জানুন! চাংশা হলো হুনান প্রদেশের রাজধানী শহর। হুনান প্রদেশ ডংটাইন হ্রদের দক্ষিণে এবং ইয়াংতজি নদীর মাঝে অবস্থিত। হুনানের সাথে চংকিং, জিয়াংসি, গুয়াংডং, হুবেই, গাংসি এবং গুইঝু প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে।

১৯১০ সাল পর্যন্ত হুনান তুলনামূলক শান্ত্ম ছিল কিন্ত্ত যখন কিং রাজবংশ ভেঙ্গে পড়ল এটা কম্যুনিস্টদের অটাম হারভেস্ট বিপ্লব দ্বারা আক্রান্ত হয় যেটা মাউ জেদং ১৯২৭ সনে শুরু করেছিলেন।. হুনান প্রদেশ গুয়াংডং এর রাজধানী গুয়াংঝু থেকে ৫০০ কি.মি. শাংহাই মহানগরী থেকে প্রায় ৯৫০ কি.মি. এবং চীনের রাজধানী শহর বেইজিং থেকে প্রায় ১২০০ কি.মি. দুরে অবস্থিত।

আমার ইনার মঙ্গোলিয়া’কে জানুন

আমার ইনার মঙ্গোলিয়া’কে জানুন!ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রয়েছে ৩০২ মিলিয়ন একরের ভূমি যা চীনের মোট ভূমির ১২%। হোহহোট হচ্ছে ইনার মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের রাজধানী। ২০০৪ সনের শুমারী অনুযায়ী ইনার মঙ্গোলিয়ায় ২৫ মিলিয়ন লোক বাস করে।

ইনার মঙ্গোলিয়ান স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের সাথে হেইলংজিয়াং, জিলিন, লিয়াওনিং, হেবেই, শানজি, শানসি, গানসু এবং নিংসিয়া হুই স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের সীমান্ত রয়েছে। রাশিয়া এবং মঙ্গোলিয়ার সাথেও এর সীমান্ত রয়েছে।

আমার জিয়াংসু প্রদেশ সম্পর্কে জানুন

আমার জিয়াংসু প্রদেশ সম্পর্কে জানুন!১৯১২ সনে স্বল্পস্থায়ী চায়না রিপাবলিক প্রতিষ্ঠা পায়। ১৯২৭ সনে নানজিং এ চিয়াং কাই শেকের নতুন সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত বহু সম্রাট দ্বারা জিয়াংসু শাসিত হয়েছে। ১৯৩৭ সনে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চিয়াং কাই শেক প্রতিষ্ঠিত জিয়াংসু প্রদেশ সুস্থিত ছিল। শেষ পর্যন্ত চিয়াং কাই শেকের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে থাকে এবং ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৩৭ জাপানী বাহিনী নানজিং/জিয়াংসু দখল করে নেয় এবং পরবর্তী তিন মাস মর্মান্তিক নানজিং গণহত্যা হিসেবে স্মরিত হয়ে আসছে। দ্বিতীয় বিশ¦যুদ্ধ সমাপ্তির সাথে সাথে নানজিং আবার গণপ্রজাতান্ত্রিক চীনের রাজধানী হিসেবে আত্বপ্রকাশ করে।

আমার জিয়াংসি প্রদেশকে জানুন

আমার জিয়াংসি প্রদেশকে জানুন!জিয়াংসি প্রদেশ ছিল কম্যনিস্টদের মূল ভিত্তিভূমি এবং কিং রাজবংশের পতনের পর কম্যুনিস্টরা তাদের বিপ্ল¬বকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কৃষকদেরকে দলে নিয়োগ দেয়া শুরু করে। ১৯২৭ সালের ১ আগস্ট এই জিয়াংসি প্রদেশেই চীনা গৃহযুদ্ধের সময় নানচ্যাং বিদ্রোহ শুরু হয়। যখন কুওমিনটাং সরকার কম্যুনিস্টদের নির্মূল করার চেষ্টা করছিল তাদের নেতা জিয়াংসি প্রদেশের পশ্চিম ও দক্ষিণের পাহাড়ে লুকিয়ে থাকতেন। চীনা সোভিয়েত রিপাবলিক সরকার ১৯৩১ সনে গঠিত হয় এবং রুইজিন শহরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যা আজও পূর্বের রেড ক্যাপিটাল হিসেবে পরিচিত। ১৯৩৫ সনে কম্যুনিস্টরা লুকানো অবস্থান থেকে প্রকাশ্যে বেরিয়ে এসে ‘লং মার্চ টু ইয়ানআন’ শুরু করে।

আমার জিলিন প্রদেশ সম্পর্কে জানুন

আমার জিলিন প্রদেশ সম্পর্কে জানুন!চীনের উত্তর-পূর্ব অংশে জিলিন প্রদেশ অবস্থিত।

জিলিন প্রদেশের লিয়াওনিং প্রদেশ, পূর্বে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া, পশ্চিমে ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল এবং উত্তরে হেইলংজিয়াং প্রদেশের সাথে সিমান্ত রয়েছে।

বাইয়ুন পর্বত জিলিন প্রদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ২৬৯১ মিটার। জিলিনহাদা, লংগান এবং ঝাং গুয়াংকাই হলো জিলিনের অন্যান্য পর্বতমালা।

আমার লিয়াওনিং প্রদেশকে জানুন

আমার লিয়াওনিং প্রদেশকে জানুন!লিয়াওনিং প্রদেশ চীনের মধ্যে অবস্থিত। লিয়াওনিং প্রদেশের হলুদ সাগরের সাথে সীমান্ত রয়েছে যেটা কোরিয়ান উপসাগর এবং দক্ষিণে বোহাই নামে পরিচিত। লিয়াওনিং ইনার মঙ্গোলিয়ার সাথেও যুক্ত। পশ্চিমে হেবেই এবং দক্ষিণ-পূর্বে উত্তর কোরিয়ার সাথেও সীমান্ত রয়েছে।

১৯৫৪ সালের আগে লিয়াওনিং এর অস্তিত্ব ছিল না। যখন ১৯৪৯ সালে চীনা গণপ্রজাতন্ত্রী গঠিত হলো তখন দুইটি প্রদেশ লিয়াওডং ও লিয়াওসি বিদ্যমান ছিল শেনইয়াং, লুডা, আনশান, ফুশান এবং বেনসি মহানগরীর পাশাপাশি। এগুলো পরে লিয়াওনিং এর সাথে যুক্ত হয়।

আমার নিংজিয়া হুইকে জানুন

আমার নিংজিয়া হুইকে জানুন!নিংজিয়া হুই স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল চীনের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। দি ইয়েলো রিভার নিংজিয়া হুইয়ের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে। এর রাজধানীর নাম ঈনচুয়ান।

নিংজিয়া হুই স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলের ইতিহাস ৩০০ খ্রীস্টপূর্বাব্দে নিংজিয়া হুই ও এর আশপাশের এলাকা কিং রাজবংশের শাসনাধীনে আসে এবং চেঙ্গিস খান ত্রয়োদশ শতকের প্রথমাংশ পর্যন্ত শাসন করেন।

আমার কিংহাই প্রদেশকে জানুন

আমার কিংহাই প্রদেশকে জানুন!কিংহাই এর দক্ষিণে তিব্বত স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বে সিচুয়ান প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্বে জিনজিয়াং স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল ও গানসু প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে।

কিংহাই গড়পড়তা ৩০০০ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চে অবস্থিত। টাংগুলা ও কুনলুন পাহাড় কিংহাইয়ে বৃহত্তম।

enEnglish zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية idIndonesia

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস আনহুই প্রদেশ, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

Anhui Province

সতের শতকের পূর্বে আনহুই প্রদেশের কোন যুক্তিগত বা রুপগত কোন অস্তিত্ব ছিল না। এখন পর্যন্ত হেনান প্রদেশ, উত্তর আনহুই অধিকাংশ ক্ষেত্রে উত্তর চীনের সমতলের সংস্কৃতি অনুসরণ করে। হুয়েই হে নদী বিধৌত মধ্য আনহুই উর্বর ভূমি এবং ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসাবে পরিগনিত।

এর সংস্কৃতি হুবেই প্রদেশের সংস্কৃতির কাছাকাছি। আবার, দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য এলাকার জনগন নিজস্ব বহু বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতির অনুসরণ করে।

প্রকৃতিগতভাবে আনহুই প্রদেশ বৈচিত্রে ভরপুর। উত্তরের সঙ্গে যুক্ত হুয়েই হে নদী দ্বারা বিধৌত প্রদেশের উত্তর মধ্য অংশ চীনের উত্তরাংশের সমতলভূমির অন্তর্ভূক্ত। এই দু’টি অঞ্চল ঘনবসতিপূর্ণ এবং অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্যমন্ডিত।

প্রদেশের দক্ষিণাংশের দিকে গেলে দেখা যাবে ,দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকাই অসমতল। এই সমস্ত এলাকা ডেবী পর্বতমালা, পাহাড়-পর্বতের অন্তর্ভূক্ত যা আনহুই প্রদেশের দক্ষিণ-পুর্বাংশ অতিক্রম করেছে। দূই পর্বতমালার মধ্য দিয়ে ইয়াংতজি নদী বয়ে গেছে চীনের দক্ষিণের দিকে। আনহুই প্রদেশের সবো©চ্চ পর্বত শৃঙ্গ লোটাসের উচ্চতা ১৮৭৩ মিটার। এটা দক্ষিণ-পুর্ব আনহুই এর হুয়াংশান পর্বতমালার অংশ।

উত্তরাংশে প্রবাহিত হুয়েই হে এবং দক্ষিণাংশে প্রবাহিত ইয়াংতজি নদী আনহুই প্রদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি নদী। ৮০০ কিলোমিটার আয়তনসমৃদ্ধ লেক চাওহু আনহুই প্রদেশের মধ্যাংশে অবস্থিত। দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ইয়াংতজি নদীর কাছাকাছি লেকগুলির মধ্যে এটিই সর্ববৃহৼ।

উত্তরাঞ্চলের জলবায়ুর সাথে দক্ষিণের জলবায়ুর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

উত্তরের তাপমাত্রা অধিক নাতিশীতোষ্ণ এবং পরিস্কার ঋতুপূর্ণ। জানুয়ারী মাসে হুয়েই হে নদীর উত্তরে তাপমাত্রা থাকে -১ থেকে ২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এবং হুয়েই হে নদীর দক্ষিণে থাকে ০ থেকে ৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। জুলাই মাসে গড় তাপমাত্রা থাকে ২৭ ডিগ্রী সে.। জুন এবং জুলাই মাসে অধিকাংশ বৃষ্টিপাত হয় আর বন্যা হওয়ার ঘটনা বিরল।

অ্যানকিং, বেংবু, বোঝাও, হেফেই, হুয়াংশান সিটি, হুয়েইনান, মানশান এবং টংলিং পিপল্স রিপাবলিক অব চায়নার আনহুই প্রদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।

আনহুই প্রদেশের দর্শণীয় কয়েকটি স্থানঃ

ইউনেসকো কয়েকটি প্রাচীন স্থানকে যেমন জিডি গ্রাম, মাউন্ট হুয়াংশান এবং হংকুন গ্রামকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেইসাথে মাউন্ট কীউন, মাউন্ট টিয়ানঝু, তুনসির প্রাচীন শহর এবং মাউন্ট জিউহুয়া হচ্ছে আনহুই প্রদেশের কয়েকটি দর্শনীয় স্থান।

enEnglish zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية idIndonesia

Continue Reading

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস হিলংজিয়াং প্রদেশ, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

harbin1000x600

আমার হেইলংজিয়াং প্রদেশকে জানুন!হেইলংজিয়াং ছিল চীনা কমু¨নিস্ট নিয়ন্ত্রিত প্রথম প্রদেশ। প্রদেশের প্রধান শহর হারবিন যেটা হচ্ছে রাজধানী শহর। সোভিয়েত বাহিনী হেইলংজিয়াংকে চীনাদের কাছে সমর্পন করে। এটা জাপানীদের দখলে ছিল যারা ১৯৪৫ সনে সোভিয়েত বাহিনীর কাছে হেরে যায়। কম্যুনিস্টরা তখন হেইলংজিয়াং এর মাঞ্চুরিয়া থেকে চীনা গৃহযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

হেইলংজিয়াং এর এলাকা সময়ে সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা বর্তমান প্রদেশের শুধুমাত্র পশ্চিম অংশ নিয়ে গঠিত ছিল এবং তখন রাজধানী ছিল কিকিহার। সংজিয়াং প্রদেশের বাকী অংশ দখল করলে পরবর্তীতে রাজধানী হয় হারবিন। ১৯৫৪ সনে অঞ্চলগুলো একত্রিত হয়ে বর্তমান হেইলংজিয়াং অঞ্চল গঠিত হয়। হেইলংজিয়াং পরবর্তীতে হুলুনবুইয়ার লীগ নামের মঙ্গোলিয়ান অংশ দখল করে। মাও সে তুং এর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় এটা সংঘটিত হয়।

হেইলংজিয়াং এর জলবায়ু

হেইলংজিয়াং এ শীতকাল দীর্ঘ হয় এবং এটি তীব্রতাসম্পন্ন। এখানে সাব-আর্কটিক আবহাওয়া বিদ্যমান। জানুয়ারী মাস শীতলতম যখন তাপমাত্রা -৩১ ডিগ্রী থেকে -১৫ ডিগ্রী সে. এর মধ্যে ওঠানামা করে। গ্রীষ্মে জুলাই মাসে গড় তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রী থেকে ২৩ ডিগ্রী এর মধ্যে থাকে। গ্রীষ্মকাল ক্ষণস্থায়ী, মাঝে মাঝে ঠান্ডা থাকে। গ্রীষ্মকালেই বেশির ভাগ বৃষ্টিপাত হয়।

হেইলংজিয়াং এর ভৌগলিক অবস্থা

হেইলংজিয়াং এর অধিকাংশেই পর্বতমালা রয়েছে যেমন, ঝাংগুয়াংকাই পর্বত, লাওই পর্বত, লেসার খিংগান রেঞ্জ, গ্রেটার খিংগান রেঞ্জ এবং ওয়ান্ডা পর্বত। মাউন্ট দাতুডিংজি হচ্ছে সর্বোচ্চ শৃংগ এবং উচ্চতা ১৬৯০ মিটার অথবা ৫৫৪৫ ফিট। এটা জিলিন প্রদেশের সীমান্তে অবস্থিত। গ্রেটার খিংগান রেঞ্জ চীনের সবচেয়ে বড় বন এবং বন বিভাগের কার্যক্রম এই অঞ্চল থেকেই পরিচালিত হয়।

উত্তর সীমান্তে আমুর উপত্যকা রয়েছে। প্রদেশের অন্যান্য অংশ নীচু এবং সমতল। নদীগুলোর মধ্যে নেন, সংহুয়া এবং মুদান অন্যতম।

নদী এবং আমুর উপত্যকা সৃষ্ট যুক্ত নদীগুলো সমতলে প্রবাহিত। সীমান্তে রাশিয়ার প্রিমরস্কি ক্রাইসহ খানকা ও সিংকাই হ্রদ দেখা যাবে এই প্রদেশে।

হেইলংজিয়াং এর কয়েকটি বড় শহর রয়েছে। যেমন, ডাকিং, হারবিন, মুদানজিয়াং, শুয়াংজিয়াশান, জিয়ামুসি, ঈচুন, হেইহে, কিকিহার এবং হেগাং।

হেইলংজিয়াং এর স্থানীয় অর্থনীতি

হেইলংজিয়াং এ সেই সমস্ত ফসলই জন্বায় যেগুলি তীব্র শীত আবহাওয়ায় জন্বানোর উপযোগী। প্রধান শস্যগুলো হচ্ছে গম, ভুট্টা এবং সয়াবিন। সূর্যমূখী, তিসি এবং গাজর হচ্ছে এই এলাকার বানিজ্যিক ফসল সমূহ।

হেইলংজিয়াং বনজ সম্পদে পরিপূর্ণ এবং চীনের চেরাই কাঠের প্রধান সোর্স। সাধারনতঃ কোরিয়ান পাইন ও অন্যান্য পাইন হচ্ছে চেরাই কাঠ তৈরীর প্রধান গাছ। এখানে লার্চ গাছও জন্বায় যেটা দিয়েও চেরাই কাঠ তৈরী হয়। ডাক্সিনগান ও জিয়াওজিংগান পর্বত সমূহে ভয়ংকর সাইবেরিয়ান বাঘের বাস, সেইসাথে বনবিড়াল ও লাল মাথাবিশিষ্ট সারস হেইলংজিয়াং এর বনে পাওয়া যায়।

সাধারন গৃহপালিত পশুর মধ্যে গরু-ছাগল ও ঘোড়া পাওয়া যায় এখানে। এখানে গরুর প্রজনন উচ্চ এবং চীনের অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি দুগ্ধ এখানে উতপাদিত হয়।

হেইলংজিয়াং খনিজসম্পদে পূর্ণ যেমন সোনা, কয়লা, গ্রাফাইট এবং অন্যান্য খনিজ রয়েছে। ডাকিং এ তেল খনি রয়েছে যেটা চীনের গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী। হেইলংজিয়াং এ গুরুত্বপূর্ণ উইন্ডমিলসমূহ রয়েছে যেটা বিদ্যুত উতপাদনে ব্যবহৃত হয়।

হেইলংজিয়াং এ চীনের অধিকাংশ উত্তরাঞ্চল অবস্থিত। এই অঞ্চল চীনা শিল্পের মূল ভিত্তি। এখানকার শিল্পগুলো হচ্ছে কাঠ, কয়লা, খাদ্য, যন্ত্রপাতি এবং পেট্রোলিয়াম। হেইলংজিয়াং হচ্ছে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে বানিজ্য তোরণ।

এ বছরে হেইলংজিয়াং এর শহুরে এলাকায় মাথাপিছু উপার্জন ছিল ১০,২৪৫ ইউয়ান। এটা আগের বছরের তুলনায় ১১.৬% বেশী। ২০০৭ সনে হেইলংজিয়াং এর সর্বনিম্ন জিডিপি ছিল ৭০৮ বিলিয়ন ইউয়ান। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১২.১% এবং মাথাপিছু জিডিপি ছিল ১৮,৫০০ ইউয়ান।

হেইলংজিয়াং ভ্রমণ স্থানসমূহ

হেইলংজিয়াং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর হচ্ছে হারবিন। এই প্রাদেশিক রাজধানীতে প্রচুর মিশ্র সংস্কৃতি দেখতে পাওয়া যায়। রাশিয়া ও চীনা ঐতিহ্যগত সংস্কৃতির বাইরে এখানে দেখা যাবে আধুনিক সংস্কৃতির মিশ্রণ। এখানে সারা হারবিন জুড়ে প্রচুর খ্রিস্টীয় চার্চ রয়েছে যেমন, ক্যাথোলিক, রাশিয়ান অর্থোডক্স এবং প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ।

প্রাকৃতিক বরফ অনেক আনন্দ ও বুদ্ধির খোরাক যোগায় হেইলংজিয়াং এ। হেইলংজিয়াং বরফের ভাষ্কর্য প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত। ২০০০ এরও বেশি বরফ ভাষ্কর্য এখানে প্রদর্শিত হয় ২০০৭ সালের ৮ম ওয়ার্ল্ড বরফ ও তুষার প্রতিযোগিতায়।

১৭১৯ ও ১৭২১ সনের আগ্নেয়গিরির অগ্নুতপাতের কারণে আমুর উপত্যকায় সিরিজ ৫টি হ্রদ সৃষ্টি হয়। এই হ্রদগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত। দ্বিতীয় লেকের ভূতাত্বিক দৃশ্য খুবই জমকালো এবং বিখ্যাত। জিংবো হ্রদ মুদান নদীর অংশ যেটা অগ্নুতপাতের সময়ে সুন্দর আকৃতি তৈরী করেছে। এটা দেখতে পাওয়া যাবে নিংগান কাউন্টিতে এবং এখানে ডিয়াওশুইলুউ নামে সুদৃশ্য জলপ্রপাত রয়েছে।

enEnglish zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية idIndonesia

Continue Reading

চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস বেইজিং, চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্র

Avatar

Published

on

beijing1000x600

বেইজিং চীনের রাজধানী শহর এবং এটি চীনের চারটি মহানগরী শহরের মধ্যে অন্যতম। বেইজিং চীনের প্রাচীন মহান রাজধানীগুলির একটি এবং ইংরেজীতে একে পেকিং বলে উল্লেখ করা হয়। বেইজিং এর উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ সীমান্ত সেই সাথে পূর্ব সীমানার কিছু অংশ হেবেই প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত। এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমানার কিছু অংশ তিয়ানজিন মহানগরীর সঙ্গেও যুক্ত।

সাংহাই এর পরে বেইজিং হচ্ছে চীনের বৃহত্তম শহর এবং এটি একটি সুন্দর রেলওয়ে, মোটরওয়ে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থল। বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। বেইজিং আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাদীক্ষার রাজধানী হিসেবে খ্যাত। অপরপক্ষে, সাংহাই এবং হংকং চীনের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বেইজিং ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর।

বেইজিং এর ইতিহাস

চীনের গৃৃহযুদ্ধের সময় কম্যুনিস্ট ফোর্স বেইজিং প্রবেশ করে ১৯৪৯ সালের ৩১ জানুয়ারী কোন প্রকার বাধা ছাড়াই। ১ তারিখ অক্টোবর, ১৯৪৯ সনে মাও জেদং এর পৃষ্ঠপোষকতায় চীনা কম্যুনিস্ট পার্টি চীনের অভ্যুদয় ঘোষণা করে এবং পুনরায় বেইজিং নামের পুনঃপ্রবর্তন করে।

২০০১ সালের জুলাই মাসের ১৩ তারিখে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ২০০৮ সালের সামার অলিম্পিক গেমস এর ভেন্যু হিসাবে বেইজিংকে আয়োজক শহর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বেইজিং এর ভৌগলিক অবস্থান

চীনা সমতলভূমির উত্তর প্রান্তে যে কেউ বেইজিং শহরকে চিহ্নিত করতে পারে। শহরটি উত্তর, উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিমের পর্বতমালা দ্বারা সুরক্ষিত।

বেইজিং এর শহুরে অংশটি শহরের দক্ষিণের কেন্দ্রীয় অংশে রয়েছে। শহুরে খন্ডাংশ ছোট কিন্ত্ত দ্রুত বর্ধনশীল মহানগরীর অবকাঠামোর সাথে যুক্ত। চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বাস তিয়ান আনমেন অংশের ঝংনানহাই অঞ্চলে। চ্যাংগান এভেন্যু মধ্য বেইজিং এর মধ্য দিয়ে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে চলে গিয়েছে এবং এটি বেইজিংয়ের প্রধান চলাচল সড়ক।

বেইজিং এর আবহাওয়া

শহরটিতে আদ্রতা এবং মহাদেশীয় জলবায়ু ক্রীয়াশীল থাকার কারণে অধিকাংশ এলাকা মৌসুমী বায়ু প্রভাবিত। পূর্ব এশীয় মৌসুমী বায়ু প্রবাহের ফলে গ্রীষ্মকালে গরম এবং গুমোট আবহাওয়া থাকে আবার শীতকালে ঠান্ডা, শুকনো এবং ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজমান থাকে। জানুয়ারী মাসে তাপমাত্রা থাকে কমবেশী ১ ডিগ্রি সে. যখন জুলাই মাসে গড়পড়তা ৩০ ডিগ্রি সে. তাপমাত্রা বজায় থাকে।

বেইজিংএর অর্থনীতি

২০০৭ সালে বেইজিং এর সর্বনিম্ন জিডিপি ছিল ৯০০.৬২ বিলিয়ন আরএমবি, প্রবৃদ্ধির হার ১২.৩% । মাথাপিছু জিডিপি ছিল ৫৬,০৪৪ আরএমবি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রিয়াল এস্টেট ও অটোমোবাইল সেক্টরে লক্ষণীয় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।

বেইজিংএর দর্শনীয় জায়গাগুলি

নিষিদ্ধ শহরটি বেইজিং এর ঐতিহাসিক কেন্দ্ররে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এটা ছিল মিং রাজবংশের সম্রাটদের আবাস এবং কিং রাজবংশের শাসকদেরও। নিষিদ্ধ শহরে রাজকীয় যাদুঘরও রয়েছে যেখানে চীনা শিল্পের রাজকীয় সংগ্রহের প্রদর্শনী রয়েছে।

বেইজিং এ স্বর্গের মন্দির খুবই প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্থান। এটা দক্ষিণ-পূর্ব বেইজিং এ অবস্থিত এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এর অন্তর্ভূক্ত।

মিং রাজবংশের তেরটি সমাধিসৌধ বেইজিং এর উপকন্ঠে অবস্থিত। এগুলো হচ্ছে তের জন মিং রাজার সমাধিস্থান এবং ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের জন্যও নির্ধারিত।

বেইজিং ক্যাপিটাল এয়ারপোর্ট

বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুনেই এর কাছাকাছি। এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর। চীনা বিমান চলাচলের প্রধান কেন্দ্র এই বিমানবন্দরটি এবং প্রায় সব আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এই বিমানবন্দর থেকে ওঠানামা করে। বেইজিং শহরের সাথে এই বিমানবন্দর এয়ারপোর্ট এক্রপ্রেস ওয়ের মাধ্যমে যুক্ত।

enEnglish zh-hans简体中文 viTiếng Việt arالعربية idIndonesia

Continue Reading

Trending Now

Free counters!